poem and BengaliEducation Entertainment Lifestyle Others 

বিশ্ব কবিতা দিবস : মনে-মুখে কবিতা

আজ ২১ মার্চ বিশ্ব কবিতা দিবস। সকল কবিতা প্রেমী পাঠক ও কবিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। মনে-মুখে কবিতা নেই এমন মানুষ বিশ্বে প্রায় দেখাই যায় না। প্রথিতযশা সব কবিদের কবিতা আলোর পথ দেখিয়ে আসছে। দেশে-বিদেশে কবি ও কবিতা নিয়ে চর্চা চলে। আজ এই বিশেষ দিনটাতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কবিতা দিয়েই শুরু করি।
“আমি আজি ধূলিতলে
এ জীর্ণ জীবন করিলাম নত
বন্ধু হও শত্রু হও
যেখানে যে কেহ রও,
ক্ষমা করো আজিকার মতো
পুরাতন বরষের সাথে
পুরাতন অপরাধ যত।…. “
চলে আসি শামসুর রহমানের একটি কবিতায়। –
“বৃক্ষের নিকটে গিয়ে বলি ;
দয়াবান বৃক্ষ তুমি একটি কবিতা দিতে পারো ?
বৃক্ষ বলে আমার বাকল ফুঁড়ে আমার মজ্জায়
যদি মিশে যেতে পারো, তবে
হয়তো বা পেয়ে যাবে একটি কবিতা ! “…

প্রতিবাদে কবিতার উপস্থিতি দেখা যায়। সেটা রাজনীতি বা সমাজের বিষয় নিয়ে হতে পারে। প্রতিবাদের ভাষা হয় কবিতা।
“আমি পাহাড় থেকে পড়তে পড়তে
তোমাকে ধরে বেঁচে রয়েছি, কবিতা।
আমি পাতালে ডুবে মরতে মরতে
তোমাকে ধরে আবার ভেসে উঠেছি।
আমি রাজ্যজয় করে এসেও
তোমার কাছে নত হয়েছি, কবিতা।”
বিশিষ্ট কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা আলোড়িত করে।
“গাহি সাম্যের গান –
যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান।
যেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম-ক্রীশ্চান;
গাহি সাম্যের গান।”
শিশুদের জন্য তিনি লিখেছেন-“ভোর হলো দোর খোল
খুকুমণি ওঠরে ,
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের একটি কবিতা রয়েছে।
“হে মহামানব,আর এ কাব্য নয়
এবার কঠিন কঠোর গদ্য আনো,”
বেদনায়-হতাশায় -দুঃখে কবিতা লেখা হয়। কবিতা মনের কথা বলে। “কালের নিয়মে একদিন
হারিয়ে গেলো সোনালী দিন।
মন যমুনা হয়ে এসে ক্ষীণ,
ইচ্ছেরা সব হলো বে রঙিন। (মৌসুমী বিশ্বাস)
আবার ফিরে আসি রবীন্দ্রনাথে। প্রেমে-বিরহে -ভালোবাসায় কবিতার জন্ম হয় স্রষ্টার কলমে।
-“আমার জ্বলেনি আলো অন্ধকারে
দাও না সাড়া কি তাই বারে বারে।
তোমার বাঁশি আমার বাজে বুকে
কঠিন দুঃখে,গভীর সুখে –
যে জানে না পথ কাঁদাও তারে। (ছবিঃসংগৃহীত)

Related posts

Leave a Comment